কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬ এ ০১:০৪ PM
কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ২১-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ৩১-১২-২০২৬
বাংলাদেশ কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন্স) মহোদয়ের নির্দেশনার আলোকে খুলনা জেলা কারাগারে গৃহীত হয়েছে একটি মানবিক ও কর্মমুখী উদ্যোগ—মুরগির খামার স্থাপনের পরিকল্পনা।
ইতোমধ্যেই কারাগারে সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে একটি হাঁসের খামার। সেই ধারাবাহিকতায় বন্দিদের কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে মুরগির খামার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এই কার্যক্রমের সার্বিক পরিকল্পনা, সমন্বয় ও বাস্তবায়ন তদারকি করছেন খুলনা জেলা কারাগারের ডেপুটি জেল সুপার জনাব তানিয়া জামান। তাঁর নিবিড় তত্ত্বাবধানেই খামারের সম্ভাব্য স্থান নির্বাচন, অবকাঠামো পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে।
খামারের স্বাস্থ্য, পরিচর্যা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদানের লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিকের একজন কর্মকর্তা কারাগার পরিদর্শন করেন। এ সময় ডেপুটি জেল সুপার জনাব তানিয়া জামান উপস্থিত থেকে খামারের সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখান এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় মতবিনিময় ও দিকনির্দেশনা গ্রহণ করেন।
এই খামারে বন্দিরাই শ্রম ও পরিচর্যার কাজে অংশগ্রহণ করবেন। মুরগি বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থের সরকারি বিধি অনুযায়ী একটি অংশ কারাগারের উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহৃত হবে এবং অপর অংশ শ্রমদানকারী বন্দিদের প্রদান করা হবে। এর মাধ্যমে তারা কারাগারে অবস্থানকালেই বৈধভাবে উপার্জনের সুযোগ পাবেন, কর্মদক্ষতা অর্জন করবেন এবং মুক্তির পর আত্মনির্ভরশীল জীবন গড়ে তুলতে আরও আত্মবিশ্বাসী হবেন।
ডেপুটি জেল সুপার জনাব তানিয়া জামান সার্বিক তদারকি ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই উদ্যোগ বন্দিদের পুনর্বাসন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের একটি কার্যকর মডেল হিসেবে গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
খুলনা জেলা কারাগারের এই উদ্যোগ শুধু একটি মুরগির খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নয়; এটি বন্দিদের মানবিক পুনর্বাসন, কর্মমুখী প্রশিক্ষণ এবং আত্মনির্ভরশীল ভবিষ্যৎ গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।"






