কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬ এ ০১:০৪ PM
কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ২২-০৭-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ৩১-১২-২০২৬
প্রকৃতির সান্নিধ্যে গড়ে ওঠা খুলনা নতুন জেলা কারাগার—যেখানে নিরাপত্তার পাশাপাশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে উৎপাদনশীলতা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং আত্মনির্ভরশীলতার ওপর।
কয়েক মাস আগে সংস্কার করা হয় কারাগারের অভ্যন্তর ও বহির্ভাগে অবস্থিত দুটি পুকুর। বর্তমানে এই পুকুর দুটিকে পরিকল্পিতভাবে আধুনিক মৎস্য খামারে রূপান্তরের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে নিবিড়ভাবে কাজ করছেন ডেপুটি জেল সুপার জনাব তানিয়া জামান। তাঁর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় পুকুরগুলোকে একটি টেকসই ও লাভজনক মৎস্য উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ লক্ষ্যে মৎস্য বিভাগের অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা কারাগার পরিদর্শন করে পুকুরের পানি, পরিবেশ, মাছের প্রজাতি নির্বাচন, খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক খামার পরিচালনা বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য—কারাগারেই মানসম্মত মাছ উৎপাদন করে প্রথমে বন্দীদের পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা পূরণ করা। পাশাপাশি কারা কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত মাছ বাজারজাত করে সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখা।
এ ধরনের উদ্যোগ শুধু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতাই নয়, বরং সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা এবং একটি আধুনিক, উৎপাদনমুখী কারাগার গড়ে তোলার বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠছে।
খুলনা নতুন জেলা কারাগার—নিরাপত্তার পাশাপাশি উৎপাদন, মানবতা ও আত্মনির্ভরতার এক অনন্য অঙ্গীকার।